মহা শিবরাত্রিতে শিব তীর্থ এক্তেশ্বরে পূণ্যার্থীদের ঢল,ভীড় সামাল দিতে তৎপর মন্দির কমিটি ও প্রশাসন।
ভক্তদের বিশ্বাস মহা শিবরাত্রি তিথিতে মহাদেবের আরাধনা করলে মনের ইচ্ছে পূর্ন হয়।মহাদেবের কাছে এদিন নিজের মনের ইচ্ছে জানাতে তাই শিবরাত্রির দিনটিকে বেছে নেওয়ার রিতী চলে আসছে যুগ,যুগ ধরে৷;
বাঁকুড়া২৪x৭প্রতিবেদন : আজ মহা শিবরাত্রি। সারা বিশ্বজুড়ে এদিন চলে মহাদেবের মহা আরাধনা। বাঁকুড়া জেলার প্রাচীন শিবতীর্থ এক্তেশ্বর শিব ধামেও এদিন সকাল থেকেই পূণ্যার্থীদের ঢল নামে। বিশেষ করে মহিলারা স্বামী, সন্তান ও প্রিয়জনদের মঙ্গল কামনায় এদিন ব্রতী হন শিব বন্দনায়। ধুতরা ফুল,বেলপাতা,আকন্দ ফুলের মালা এবং আকন্দ ফল মহাদেবকে নিবেদন করা হয়। আর মন্ডা,মিঠাই,কলা সহযোগে পুজো অর্চনার পাশাপাশি,শিবের মাথায় দুধ,মধু,গঙ্গজল ঢালেন ব্রতীরা। অনেকেই এই দিন শিবরাত্রির উপোস রেখে ব্রত পালনও করেন। শিবরাত্রি তিথিতে প্রহরে,প্রহরে শিব পুজোরও বিধি আছে৷ এছাড়া রয়েছে রাত্রিতে মহাদেবের বিশেষ পুজোর আয়োজন থাকে প্রতিটি শিব মন্দিরে। এবার,শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে প্রচুর পূণ্যার্থীদের ঢল নেমেছে সকাল থেকে।
এই ভীড় সামাল দিতে মন্দির কমিটির পাশাপাশি জেলা প্রশাসন বিশেষ ব্যবস্থা রেখেছে। মন্দির কমিটির পক্ষে সত্যেন দত্ত জানান,ভক্তদের সহযোগিতার জন্য মন্দির কমিটিও প্রচুর স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করেছে। এবার লক্ষাধিক পূণ্যার্থীদের ভীড় হবে এই শিব তীর্থে।ভক্তদের বিশ্বাস মহা শিবরাত্রি তিথিতে মহাদেবের আরাধনা করলে মনের ইচ্ছে পূর্ন হয়।মহাদেবের কাছে এদিন নিজের মনের ইচ্ছে জানাতে তাই শিবরাত্রির দিনটিকে বেছে নেওয়ার রিতী চলে আসছে যুগ,যুগ ধরে৷ প্রসঙ্গত,প্রতি চান্দ্র মাসে একটি করে শিবরাত্রি হয় (প্রতি বছর ১২টি)। প্রধান উৎসবকে বলা হয় মহা বা মহান শিবরাত্রি, যা ১৩ তম রাতে (অস্তমিত চাঁদ) এবং ফাল্গুন মাসের ১৪ তম দিনে অনুষ্ঠিত হয়। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জিতে দিনটি ফেব্রুয়ারি বা মার্চ মাসে পড়ে।এবার শিবরাত্রি পড়েছে ২৬ শে ফেব্রুয়ারী। পুরাণ মতে আজ মহাদেব ও পার্বতীর মহা মিলনের রাত্রি৷
তাই এই দিনটিকে মহা শিবরাত্রি হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়ে থাকে।
👁️🗨️দেখুন🎦ভিডিও। 👇