শুশুনিয়ায় ইকো ভিলেজ গড়ে, প্রকৃতি, পরিবেশ,পর্যটন ও কর্মসংস্থানের মিশেলে অভিনব সামাজিক প্রকল্প বাঁকুড়া পুলিশের।

শুশুনিয়ায় ইকো ভিলেজ গড়ে, প্রকৃতি, পরিবেশ,পর্যটন ও কর্মসংস্থানের মিশেলে অভিনব সামাজিক প্রকল্প বাঁকুড়া পুলিশের।
X

#বাঁকুড়া২৪X৭প্রতিবেদন : বাঁকুড়া জেলা পুলিশ তাদের জনসংযোগ ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পে এবার জেলার শিল্প ও সংস্কৃতির বিকাশে এক গুচ্ছ কর্মসুচী নিয়েছে। যার অঙ্গ হিসেবে রবিবার বিকেলে শুশুনিয়া পাহাড়ের পাদদেশে বসেছিল অরণ্যের আড্ডা।সেখানে নাচ,গান, আবৃত্তি পাঠ সহ নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পসরা যেমন ছিল তেমনি ছিল ইকো গ্রাম কি ভাবে রক্ষা করতে হবে তার পাঠদানও। ধামসা,মাদলের তালে এদিন শুশুনিয়া পাহাড়ের পাদদেশের গ্রাম গুলির আদিবাসীরা অরণ্যের আড্ডায় মাতলেন। বাঁকুড়া জেলা পুলিশের উদ্যোগে শুশুনিয়ার হাঁপানিয়া গ্রামের বাড়ীর দেওয়ালে,দেওয়ালে আঁকা হয়েছে আদিবাসী চিত্রকলা। এই গ্রামেই রয়েছে ধামসা,মাদলের আড্ডা। এই আড্ডায় পর্যটকেরাও ধামসার বোলে কোমর দোলানো উপভোগ করতে পারবেন। হাঁপানিয়ার এই প্রজন্মের ছেলে,মেয়েরা এই চিত্রকলায় গ্রাম সাজানোর কাজে এগিয়ে এসেছে। পাশাপাশি, প্লাস্টিক মুক্ত ও স্বচ্ছ গ্রাম গড়তে গ্রামবাসীদের সচেতনও করছে তারা। আর এই কাজে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে জেলা পুলিশও।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শ্যামল সামন্ত জানান,পুলিশের সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পে ইকো গ্রাম গড়ে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি, এলাকার সাংস্কৃতিক বিকাশ ও হোম স্টে গড়ে পর্যটন পরিষেবার উন্নতি ও প্রকৃতির কোলে গ্রীণ লাইব্রেরি, খোলা আকাশের নীচে মুক্ত পাঠাগার গড়ে গ্রামীন মানুষেরদের বিনোদন ও পঠন পাঠনের খোরাকও জোগাচ্ছে জেলা পুলিশ। প্রাথমিক পর্যায়ে শুশুনিয়াতে তিন গ্রামবাসীর বাড়ীতে হোম স্টে গড়ে তোলা হচ্ছে। কিছু দিনের মধ্যেই এগুলির বানিজ্যিক ভাবে ব্যবহার চালু হয়ে যাবে বলেও জানান শ্যামল বাবু। এদিকে, পুলিশের এই অভিনব বহুমুখী প্রকল্প জেলার উন্নয়নে যে অন্য মাত্রা যুক্ত করবে তা বলাই বাহুল্য।

#দেখুন 🎦 ভিডিও। 👇[embed] href="https://www.bankura24x7.com/11th-february-suvendu-adhikari-has-fixed-the-target-of-gathering-of-50000-booth-workers-at-the-chief-minister-mamata-banerjees-meeting-at-bankura/img-20200203-wa0043/" rel="attachment wp-att-7962">

Next Story