নবমী নিশিতে বিষ্ণুুপুরের ভট্টাচার্য বাড়ীর ঠাকুর দালানে ধ্রুপদ সঙ্গীতের আসর। বিষ্ণুপুর ঘরানাকে সঙ্গীতাঞ্জলী শিল্পীদের।

#বাঁকুড়া২৪X৭প্রতিবেদন : নবমী নিশিতে ধ্রুপদ সঙ্গীতের মূর্ছনায় মাতল বিষ্ণুপুর!
প্রতি বছরের মতো এবারও এখানকার, মলেশ্বরে ভট্টাচার্য পরিবারের দূর্গা দালানে বসল এই ধ্রুপদী আসর।
জানা যায়,১৮০০ খ্রীস্টাব্দে বিষ্ণুপুর ঘরানার প্রতিষ্ঠাতা, সঙ্গীত সাধক রামশঙ্কর ভট্টাচার্য নবমীর রাতে নিজেদের ঠাকুর দালানে এই ধ্রুপদ সঙ্গীতের আসর বসানোর রীতির প্রচলন করেন।
তারপর থেকে ধারাবাহিকতা বজায় রেখে, আজও বসছে এই নৈশ সঙ্গীতের আসর।
এই সঙ্গীত আসরে নানা সময় বিষ্ণুপুর ঘরানার দিক পালেরা সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন।তাঁদের মধ্যে যদুভট্ট,গোপেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো শিল্পীরা অন্যতম।
বর্তমানে আগের মতো বিষ্ণুপুর ঘরানার রমরমা না থাকলেও, এখনও যারা এই ঘরানায় সুর সাধনা করে আসছেন তারা, এদিন এই ঘরানার সাথে পরিচয় ঘটালেন সঙ্গীত প্রেমীদের।
পাশাপাশি, নুতন প্রজন্মের শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করে, প্রতিষ্ঠিত ঘরানা শিল্পীদের কাছ থেকেও বাহবা কুড়িয়ে নিলেন।
নবমীর নিশিতে সঙ্গীতের এই আসর আরও একবার বিষ্ণুপুর ঘরানার ধারার বহমানতায় সাফল্য পেল তা বলাই বাহুল্য।
#দেখুন ভিডিও।
[embed]