নতুনচটিতে জায়গা নিয়ে বিবাদের জেরে প্রতিবেশীর হাতে খুন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও তার ছেলে,আটক ৩,জানালেন পুলিশ সুপার।
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার বৈভব তেওয়ারী জানান,ইতিমধ্যেই পুলিশ তিন জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।এবং মুল অভিযুক পলাতক।তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

বাঁকুড়া২৪x৭প্রতিবেদন : প্রতিবেশীর সাথে জায়গা সংক্রান্ত বিবাদের জেরে খুন হলেন এক আবসর প্রাপ্ত শিক্ষক এবং তার ছেলে। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঁজা লড়ছেন ওই শিক্ষকের স্ত্রী। এদিকে এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যে তিন জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করলেও মুল অভিযুক্ত পিন্টু রুইদাস এখনও পলাতক। বাঁকুড়া শহরের নতুনচটি এলাকার বাসিন্দা বাঁকুড়া খ্রিস্টান কলেজিয়েট স্কুলের ( মিশন বয়) অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মথুর মোহন দত্তের সাথে তারই প্রতিবেশী পিন্টু রুইদাসের জায়গা সংক্রান্ত বিবাদ ছিল দীর্ঘ দিনের।যা আদালত পর্যন্ত গড়ায়।
রবিবার এই বিবাদই ফের মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। অভিযোগ,প্রতিবেশী পিন্টু রুইদাস ধারালো অস্ত্র নিয়ে ওই শিক্ষক এবং তার স্ত্রী ও ছেলের ওপর আক্রমণ করে। এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। তার ফলে তিনজনই লুটিয়ে পড়েন।খবর পেয়ে বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়।রাতের দিকে ওই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মথুর মোহন দত্ত (৬৩) এবং তার ছেলে শ্রীধর দত্ত (২৯) মারা যান।আর মথুর বাবুর স্ত্রী মল্লিকা দেবী এখন বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
মথুর বাবুর ছেলে ভারতীয় জীবন বীমা নিগমে কাজ করতেন।
রবিবার ভর সন্ধ্যায় এই খুনের ঘটনায় শহর জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশ সাথে সাথে তদন্তে নেমে পড়ে। আজ বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার বৈভব তেওয়ারী জানান,ইতিমধ্যেই পুলিশ তিন জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।এবং মুল অভিযুক পলাতক।তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।একসাথে, একই পরিবারের তিন জনের ওপর এমন নৃশংস আক্রমণের ঘটনা শহরে প্রথম।এবং তার জেরে পরিবারের দুই সদস্যের মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক।তাই শহরবাসী খুনীর কঠোর শাস্তির দাবি তুলছেন।এদিকে মথুরবাবুর পাড়া আজ শোকে কাতর।
পুরো এলাকা থমথমে। মথুর বাবুর বাড়ীতে বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট।পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নমুনাও সংগ্রহ করে এদিন।পুলিশের দাবি শীঘ্রই খুনি পুলিশের জালে ধরা পড়বে।
👁️🗨️দেখুন🎦ভিডিও। 👇